
গাজায় দুর্ভিক্ষ স্বীকার করলো জাতিসংঘ | ভাইরাল ৩ আপডেট
অবরুদ্ধ গাযায় দুর্ভিক্ষ, প্রথমবারের মতো স্বীকার করল খোদ জাতিসংঘ। এবাে তাহলে কি ফিলিস্তিন সহায়তা পাবে? অস্ট্রেলিয়ার এক সেলুন থেকে ইজরায়েলী নাগরিক কে তাড়িয়ে দিলো! সেলুনের মালিক বলছে এরা শিশু হত্যাকারী। এদের কোনো ভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।
এদিকে ইংল্যান্ডের লিভার পুলের রাস্তায় এক মুসলিম অটিস্টিক যুবক কে কটুক্তি করলো ইসলামফোবীয়াই আক্রান্ত এক অন্য ধর্মের নাগরিক। এগিয়ে এলেন একজন সাহসী যুবক। নিলেন কৌফিয়ত। রাশিয়ায় বোরখা বা নিকাব পরার কারণে কটুক্তির শিকার দুই নারী। করলেন ফাইট ব্যাক। অনেকে বলছে এরা তো লেডি খাবিব। সাথে জানাবো বাংলাদেশে সমকামী এক্টিভিস্ট সাহার চৌধুরী প্রকাশ্যে বিশ্বিবদ্যালয়ের শিক্ষককে দিচ্ছেন হত্যার হুমকি।
প্রথমে বলি, ফিলিস্তিনের গাজার বর্তমান অবস্থা নিয়ে। গাজায় শিশুরা তো চরম পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। সাধারণ মানুষ খাবার পাচ্ছে না। চরম দুর্ভিক্ষ তৈরি হয়েছে সেখানে । কিন্তু জাতিসংঘ গাজায় যে দুর্বিক্ষর অবস্থা তৈরি হয়েছে তা মানতে নারাজ। এতদিন তারা, বলে আসছে ফিলিস্তিনে তেমন খারাপ অবস্থা হয়নি।
বাংলাদেশে সমকামিতা বৈধ করতে চাই : জুনায়েদ সাকি

কিন্তু এবার অবরুদ্ধ গাযায় দুর্ভিক্ষ, প্রথমবারের মতো স্বীকার করল খোদ জাতিসংঘ। জাতিসংঘের বৈশ্বিক ক্ষুধা ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা (আইপিসি) আনুষ্ঠানিকভাবে শুক্রবার ২২ আগস্ট গাযায় দুর্ভিক্ষের তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংস্থাটি জানায়, গাজা সিটি ও এর আশপাশের এলাকায় দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে।
সংস্থাটি সতর্কতামূলক আশঙ্কা প্রকাশ করে আরো জানিয়েছে,আগামী জুন মাস পর্যন্ত গাযায় পাঁচ বছরের কম বয়সী কমপক্ষে ১,৩২,০০০ শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগবে।গুরুতর মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে ৪১,০০০ এরও বেশি শিশু। অন্তত ৫৫,৫০০ জন অপুষ্টিতে ভোগা গর্ভবতী এবং স্তন্যদানকারী নারীর জরুরি পুষ্টি সহায়তা প্রয়োজন।

এদিকে অস্ট্রেলিয়ার এক সেলুনে ইজরায়েলী নাগরিক কে বের করে দিলো সেলুনের মালিক। তখন মিডিয়া এসে তার কাছে এসব বিষয়ের ওপর বিভিন্ন প্রশ্ন করতে থাকে। তখন তিনি বলেন ইজরায়েলী ইহুদিরা গণহত্যা কারী। তারা বেবি কিলার অর্থাৎ শিশু হত্যাকারী।এই দর্জা বন্ধ করে দেন তিনি।
এবার আশি, ইংল্যান্ডের লিভার পুলে। সেখানে এক অটিস্টিক মুসলিম যুবক, কুরআন বা ইসলামি গজল টাইপের কিছু শিখছিলো তখন এক ব্যক্তি তাকে বলে এসব কিছু তোদের মসজিদে গিয়ে কর। এখানে আমাদের রাস্তায় এসব করা যাবে না।
তখন একজন ব্যক্তি এসে ওই অটিস্টিক যুবক কে সহওতা করে ও ওই ব্যক্তিকে কড়া জবাব দেন। পশ্চিমারা সবসময় বলে তারা মানবাধিকারের পক্ষে কিন্তু তাদের দেশে মুসলমানদের এই অবস্থা। অটিস্টিক যুবক পর্যন্ত ছাড় পাচ্ছে না। যদি কোনো ভাবে একজন মুসলমান এমন ঘটনা ঘটাতো। তাহলে এই বিষয়টি নিউজ চ্যানেলের ব্রেকিং নিউজ হত।

এমনই আর এক ঘটনা ঘটেছে রাশিয়ায়। যেখানে নিকাব পবার দায়ে একজন যুবক ২ জন মুসলিম নারীকে কটুক্তি করতে থাকে। কিন্তু সে তো জানতো না এই নারীরা ভিতু নয়। নিকাব পরেছে বলে তারা দুর্বল নয়। তারা ফাইট ব্যাক করে। ওই ব্যক্তিকে ভরা স্টেশনের মধ্যে বেধড়ক পিটায়। এদেখে কেউ কেউ বলছে বিখ্যাত মুসলিম ইউএফসি ফাইটার খাবিবের কাছে ট্রেনিং প্রাপ্ত।গিয়েছিলো অপমানি করতে নিজেরাই বোকাচৌধুরি হয়ে গেলো।
পশ্চিমাদের এই মনমানসিকতা বর্তমানে বাংলাদেশের কিছু বিকৃত মনমানসিকতার মানুষের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো সাহারা চৌধুরী নামে একজন সমকামী। তিনি চান বাংলাদেশে সমকামীতা বৈধতা পাক। এবিষয়ে আমাদের চ্যানেলে বিস্তারিত ভিডিও আছে দেখতে পারেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমকামীতা বৈধতা পাবার জন্য আন্দোলন করতে থাকে।
এজন্য বিশ্বিবদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে বিশ্বিবদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করেন। বহিষ্কার হবার পর তিনি তার ফেসবুক আসিফ মাহতাব সহ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক কে সরাসরি হত্যার হুমকি দিচ্ছেন। তাদের মাথা কেটে ফুটবল খেলার হুমকি দিতে থাকে।
তারপরও তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি বরং সাংবাদিকদের ঢেকে তিনি আরো সংবাদ সম্মেলন করছেন। আর বাংলাদেশের সাংবাদিকেরা সেটি প্রচার করছে। এমনকি জুনায়েদ সাকি নামে একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি এই সমকামীকে সাপোর্ট করছে। তার হয়ে পোস্ট করছেন।
এই তো হলো বর্তমানে বিশ্বে মুসলমানদের অবস্থা। এমনকি বাংলাদেশের মত মুসলিম প্রধান দেশেও মুসলমানেরা অত্যাচারিত হচ্ছে। আর সমকামী, হিন্দুরা বিভিন্ন অপরাধ করবার পরেও ধরা ছুয়ার বাইরে থাকছে। কিন্তু একজন হুজুর যদি একটু খারাপ কাজ করে তাহলে অন্য ধর্মের মানুষ তো দুরে থাক, মুসলমানেরাই তাকে কটুক্তি করতে থাকবে। এই হলো বর্তমানে মুসলমানদের অবস্থা।
তো দর্শক এসব আপডেট সম্পর্কে আপনার কি মতামত, তা অবশ্যই কমেন্ট করে জানাতে পারেন। Hridoy Observer – ইসলামের কথা বলে।