
বাংলাদেশে সমকামিতা বৈধ করতে চাই : জুনায়েদ সাকি
সমকামীদের সংগঠন LGBTQ বাংলাদেশে সমকামীতা ছড়ানোর নীল নকশা করছে। এতে সাহায্য করছে কিছু প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক ব্যক্তি। সমকামীতা পশ্চিমা দেশে স্বাভাবিক। তাই তারা বাংলাদেশেও এটি স্বাভাবিক করতে চাই। কিন্তু বাংলাদেশ মুসলিম প্রধান দেশ হওয়ায় তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন অত সহজ হবে না।
ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়, শরিফ থেকে শরিফা গল্পের মাধ্যমে সমকামিতা স্বাভাবিক করবার চেষ্টা করেছিল। তারা সফল হতে না পারলেও, সমকামীতা সম্পর্কে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে পরিচয় ঠিকই করিয়ে দেয়। যারা জানতো না, তারাও যেন যায় সমকামিতা আসলে কি?
তারপর বিভিন্ন ভাবে LGBTQ এর কার্যক্রম গোপনে চলে যায় । কিন্তু তাদের কার্যক্রম থেমে থাকেনি। গোপনে তারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করতে থাকে। তারই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, এবার তাদের টার্গেট রাজনৈতিক ব্যক্তিদের ওপর
হাসিনা ফিরলে দেশ বিক্রি করবে?চট্টগ্রামে পাহাড়ে মুসলিম নিষিদ্ধ?

কারণ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যক্তিদের কিছু টাকার মাধ্যমে কেনা যায়। সাথে তারা কোনো বিতর্কিত মন্তব্য করলে তা ভাইরালও হয়।
বাংলাদেশ নারী অধিকার সংগঠনের দাবি, বর্তমানে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে জুনায়েদ সাকি সমকামীদের হয়ে কাজ করবার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জুনায়েদ সাকি চান সমকামীতা বাংলাদেশে স্বাভাবিক হোক। এজন্য তিনি ফেসবুকের মাধ্যমে সমকামীতা প্রোমোট করছেন।
অতিসম্প্রতি বাংলাদেশের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাহারা চৌধুরী নামে একজন সমকামী এক্টিভিস্ট কে বহিষ্কার করা হয়েছে। কারণ সাহারা চৌধুরী বাংলাদেশে সমকামীতা বৈধ করবার জন্য দীর্ঘদিন যাবত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এজন্য অবশেষে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করেন।

কিন্তু সাহারা চৌধুরীকে বহিষ্কার করা জোনায়েদ সাকিবের পছন্দ হয়নি। তিনি চান বাংলাদেশে এটি বৈধতা পাক। সাহারা চৌধুরী কে বহিষ্কার করা নাকি বাংলাদেশের আইন বিরুদ্ধ। তাকে আবারও সমকামীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেরত আনার দাবি জানিয়েছে।
জুনায়েদ সাকি এক ফেসবুক পোস্টে জানান, মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হোন! মব সন্ত্রাস করে ট্রান্স অধিকার এক্টিভিস্ট সাহারা চৌধুরীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। অবিলম্বে এই বেআইনি বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করতে হবে। জাতি-ধর্ম-শ্রেনী-লিঙ্গ পরিচয় নির্বিশেষে প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার, মর্যাদা ও জীবনের নিরাপত্তা রাষ্ট্রকেই নিশ্চিত করতে হবে।
জুনায়েদ সাকির এই বিকৃত মনমানসিকতার জন্য নারি অধিকার সংগঠন প্রতিবাদ করেছেন। তারা বলেন, ” জুনায়েদ সাকি বাংলাদেশের মত মুসলিম প্রধান দেশে সমকামীতা স্বাভাবিক করবার চেষ্টা করছে। এর পেছনে তার কি স্বার্থ আছে, এজেন্ডা আছে তা আমরা জানতে চাই।

আরো আরো বলেন, আপনি ছেলে হয়ে জন্মালেন, আপনার বয়স যখন ২৩-২৪ তখন হঠাৎ করে আপনার মনে হলো আপনি শারিরীক ভাবে ছেলে হলেও মানসিক ভাবে একজন মেয়ে। তখন আপনি মেয়েদের ওয়াসরুম, মেয়েদের থাকার রুমে একসাথে থাকবেন। এটি কি কোনো ভাবে মেনে নেওয়া যায়।
এসব পশ্চিমা মনমানসিকতা কোনোভাবেই বাংলাদেশে মেনে নেওয়া হবে না। অবিলম্বে জুনায়েদ সাকি কে দার ফেসবুক পোস্ট ডিলিট করতে হবে। এবং ফেসবুকে এসে সবার সামনে ক্ষমা চেতে হবে।
আজ জুনায়েদ সাকির সমকামিতার পক্ষে করা পোস্টের বয়স প্রায় এক সপ্তাহ হতে গেলেো এখনো জুনায়েদ সাকি পোস্ট ডিলিট করেনি। গোপন সুত্র মতে, তিনি এই পোস্ট করবার জন্য সমকামীদের সংগঠন থেকে মোটা অংকের টাকা পেয়েছেন। তাই দেশের মানুষ এত সমালোচনা করবার পরেও তিনি পোস্ট ডিলিট করছে না।

এমনকি যারা জুনায়েদ সাকির অনুসরণ করে তারা পর্যন্ত কমেন্ট সেকশনে তাকি পোস্ট ডিলিট করতে বলছেন। বাজে বাজে মন্তব্য করছেন, তারপরেও তিনি পোস্ট ডিলিট করছেন না। তিনি একেবারে পশ্চিমাদের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে।
এখন কথা হলো পশ্চিমা দেশে কেন সমকামীতা বাড়ছে। মুসলমানদের ধর্মে যেমন এটি ঘৃণিত পাপ। তেমন কি খ্রিষ্টান, ইহুদি ধর্ম এটি পাপ নয়। সেখানে কি সমকামীতা বৈধ? আসলে খ্রিষ্টান, ইহুদি ধর্মে সমকামিতা নিষিদ্ধ। তাহলে তারপরে কেন পশ্চিমা এমন করে?
আসলে পশ্চিমারা, নামে খ্রিষ্টান কিন্তু কাজে কেউ ধর্ম পালন করে না। ধর্ম থেকে অনেক দুরে চলে যাবার কারণে পশ্চিমারা এমন জঘন্য মনমানসিকতার হয়ে গেছে। তার তাদের এই দুর্বলতাকে সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে LGBTQ এর সংগঠন খ্রিষ্টানদের সমকামীতা বানিয়ে দিয়েছে। এখন তাদের কাছে এগুলো স্বাভাবিক।

এবার তাদের টার্গেট মুসলিম বিশ্ব। তারা চাই মুসলমানদের মধ্যেও সমকামীতা ছড়িয়ে যাক। তাই তারা বিভিন্ন উপায়ে মুসলিম দেশ গুলোকে টার্গেট করছে।
বাংলাদেশে এটি স্বাভাবিক করতে পারে একমাত্র রাজনৈতিক নেতারা। কারণ এসব নেতারা যে কতটা লোভি তো দেশের সবাই জানে। এরা টাকার জন্য দেশের নদীর পাথর তাই বেঁচে দেয়। তাহলে তারা টাকার জন্য কিনা করতে পারে।
নির্বাচনে যদি তাদের এসব সমকামী সংগঠন টাকা দেয় তাহলে রাজনৈতিক দল গুলো তাদের হয়ে কথা বলবে। আ৷ বাংলাদেশের মানুষ তো জানেন টাকা দিলেই নিজের ভোট বিক্রি করে দিবে। এভাবে ক্ষমতায় এসে সমকামিতাকে তারা প্রোমোট করবে, রক্ষা করবে।
ঠিক যেমনটি আওয়ামী লীগ ভারতের হিন্দুদের টাকা নিয়ে নির্বাচন করে পাশ করে দেশের ক্ষমতা নিয়ে ছিলো। তারপর থেকে বাংলাদেশে হিন্দুদের বিপক্ষে কথা বলতে সবাই ভয় পেতো। তো দর্শক আপনি কি চান? বাংলাদেশে সমকামীতা ছড়িয়ে পড়ুক।