
হাসিনা ফিরলে দেশ বিক্রি করবে?চট্টগ্রামে পাহাড়ে মুসলিম নিষিদ্ধ?
আওয়ামীলীগের বিচার, না হওয়ার আগে, যদি তারা ফেরে তাহলে দেশের সার্বভৌমত্ব হারাবে? বললেল আল-জাজিরার সাংবাদিক জুলকারনাইন। কিন্তু দেশের সার্বভৌমত্ব কাদের কাছে হারাবে? কিভাবে হারাবে? তা জানাচ্ছি । এদিকে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের নেতা, গোবিন্দ চন্দ্র বলেছেন, “মক্কায় যেমন ননমুসলিম প্রবেশ নিষিদ্ধ। ঠিক এমনভাবে চট্টগ্রামের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে চতুর্দিকে মুসলমানদের নিষিদ্ধ করতে হবে? এনিয়ে চলছে চরম সমালোচনা।
প্রথমে বলি আওয়ামী লীগ দেশে ফেরা প্রসঙ্গে। আল-জাজিরার বাংলাদেশ প্রতিনিধি জুলকারনাইন সের বলেছেন – যেভাবে দেশের বিচার কার্যক্রম চলছে তা মোটেই ভালো না। ক্ষমা চাওয়া এবং তাদের বিচারের আগে যদি আওয়ামী লীগ কোনোভাবে ফেরে তাহলে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হারাবে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী কোনোদিন উঠে দাড়াতে পারবে না। সেনাবাহিনী পঙ্গু করে, রক্ষীবাহিনী আবার হত্যাযজ্ঞ চালাবে।
তিনি বোঝাতে চাইছেন, আওয়ামী লীগ তো সবসময় ভারতের হয়ে কাজ করেছে। এমন জুলাই হত্যাযজ্ঞের পরেও যদি তাদের বিচার না হয়। তাহলে তারা ভারতের সাথে মিলে দেশ, ভারেতের কাছে বেঁচে দিবে। বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী ও সেনাবাহিনী পঙ্গু করে দিবে। যাতে বাংলাদেশ কোনোভাবে আর দাড়াতে না পারে।
আল্লাহকে নিয়ে কটুক্তি! ভারতে আবারও ইসলাম অবমাননার ঘটনা

এমনকি যে সব দেশ প্রেমিক তাদের বিপক্ষে কথা বলবে, তাদের বঙ্গবন্ধুর মত রক্ষীবাহিনী বানিয়ে হত্যাযজ্ঞ চালাবে। আজ ১ বছরের বেশি শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগ বাংলাদেশ থেকে পালিয়েছে। কিন্তু আজও পর্যন্ত কোনো আওয়ামী লীগের নেতাকে বিচারের আওতায় আনতে পারিনি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
এদিকে বিভিন্ন মিডিয়ার খবর অনুসারে, ভারতের সাহায্যে ও বাংলাদেশের অভ্যন্তরে থাকা আওয়ামীলীগের রাখা প্রশাসনের লোকজন তাদের সাহায্য করছে। তারা গোপনে আর্মিদের সহয়তা দাঙ্গা বাধানোর পরিকল্পনা করছে। কয়েদিন আগেই নিরাপত্তা বাহিনী এমনই একদল আওয়ামী লীগ নেতাদের গ্রেপ্তার করেন।
একজন মেজরের স্ত্রী পর্যন্ত তাদের ট্রেনিং নিতে সাহায্য করতে গিয়ে ধরা পড়েছে। আর বাংলাদেশের জনগণের কথা আর কি বলবো : তারা তো ইতিমধ্যে জুলাই বিপ্লব ভুলতে বসেছে। এখন বিপ্লবীরাই শত্রুতে পরিণত হয়েছে।

আসলে বাংলাদেশের সরকার যদি চোর হয় বাংলাদেশের জনগণ ডাকাত। তাই বাংলাদেশ যদি কোনো শক্তি দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে ভারত বা পাকিস্তান দ্বারা নয় বরং এদেশের জনগণের মুর্খামি ও কিছু ক্ষমতা লোভী নেতাদের দ্বারা হবে। এরা ক্ষমতা ও টাকার জন্য নিজের মাকে পর্যন্ত বেঁচে দিতে পারে।
এমনকি যারা দেশের পাথর পর্যন্ত বেঁচে দিতে পারে। তারা তলায় তলায় দেশ বেঁচে দিবেনা এর কোনো গ্যারান্টি আছে? বর্তমানে আর একটি রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের জায়গা নেবার চেষ্টা করছে। আওয়ামী লীগ যেখান থেকে শেষ করেছিলো তারা সেখান থেকে শুরু করতে চাই।
এবার আসি, চট্টগ্রামের মন্দির প্রসঙ্গে। বাংলাদেশের চট্টগ্রামে চন্দ্রনাথ পাহাড়ের মন্দির নিয়ে, নানা আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে। VOBM এর দাবি, এখানে আগে মসজিদ ছিলো। এখন এখানে হিন্দু মন্দির তৈরি হয়েছে। আগে ব্রিটিস আমলে এই পাহাড়ের নাম বায়েজিদ বোস্তামি ছিলো। সাথে এখানে বায়োজিদ বস্তামি মসজিদ ছিলো?
বাংলাদেশের সরকার বলছে, সেখানে যেতে হলে হেটে যেতে হয়। আর যেতে ১ ঘন্টা আসতে ১ ঘন্টা। তাই সেখানে না যাওয়ায় ভালো। এমন নানাভাবে সরকার হিন্দু সম্প্রদায়ের দিকে মতামত দিচ্ছে। এবার এরই মাঝে, বাংলাদেশের হিন্দু মহাজোটের নেতা গোবিন্দ চন্দ্রের দাবি, এই চন্দ্রনাথ ধামের এলাকা সম্পুর্ণ হিন্দুদের নামে লিখে দিতে হবে।

এখানে সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দিতে হবে। সেখানে লেখা থাকবে শুধুমাত্র সনাতনীর প্রবেশের অনুমতি আছে। অন্যধর্মের মানুষ এখানে প্রবেশ আইনত নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে। এখানে কোনো বাংলাদেশী মুসলমান প্রবেশ করতে পারবে না।
ঠিক যেমন মুসলমানদের মক্কায় লেখা থাকে, মক্কায় অমুসলিম প্রবেশ নিষিদ্ধ। মক্কায় শুধুমাত্র মুসলিম প্রবেশ করবে। এভাবে চট্টগ্রামের চন্দ্রনাথ ধামে অসনাতনীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হোক। এ বক্তব্য নিয়ে মুসলমানদের মধ্যে চরম অসন্তোষ প্রকাশ পেয়েছে।
এবিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বাংলাদেশের সরকার কে বলছে, নেন এবার, বসতে দিলেন। এবার তারা শুতে চাচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ভারতের কাছে বাংলাদেশ কে বাংলাদেশের জনগণই বেঁচে দিবে। বাংলাদেশে মুসলিম সমাজ একসময় দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিকে পরিনত হবে।

তো দর্শক এনিয়ে আপনার মতামত কি? এই বাংলাদেশের জায়গা কি হিন্দুদের নামে এভাবে লিখে দেওয়া উচিত হবে? নাকি সেখানে পুনরায় মসজিদ স্থাপন করা উচিত। যেমনটা বর্তমানে ভারতে, মুসলমানদের মসজিদ ভেঙে মন্দির তৈরি করছে। যেমন বাবরি মসজিদ ভেঙে রাম মন্দির তৈরি করলো । এমন নানা ইতিহাস রয়েছে ভারতে। সেখানে বাংলাদেশে হচ্ছে উল্টো।
