
১৯৪৭ সালে ধর্ম অনুযায়ী দেশ ভাগ ছিলো ব্যর্থ সিদ্ধান্ত ?
১৯৪৭ সালে ধর্ম অনুযায়ী দেশ ভাগ করা হলেও তা সফল হয়নি – দাবি ভারতের মিডিয়া Aj tak এর। কিন্তু কেন ব্যর্থ হলো? ভারতের মিডিয়া যে পয়েন্ট গুলো সামনে আনছে তা জানাবো? এদিকে ভারতের মুসলমানদের উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করেছে মোদি সরকার। প্রথমে জানাবো ধর্ম অনুযায়ী দেশ ভাগ কেন লাভ হয়নি?
ভারতের গোদি মিডিয়া খ্যাত “আজতক “News তাদের একটি প্রতিবেদনে তুলে ধরেন- ১৯৪৭ সালে ভারত দুইভাগ ভাগ করা একটি ব্যর্থ সিদ্ধান্ত ছিলো। কারণ হিসেবে তারা দেখিয়েছে – যখন ঘোষণা আসে পুর্ব ও পশ্চিমে মুসলমানদের সংখ্যা বেশি। তাই ভারতের সম্পুর্ণ মুসলমান পুর্ব ও পশ্চিমে চলে যাও।
ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বাড়ানোর রোডম্যাপ প্রকাশ!
কারণ পূর্ব ও পশ্চিম এই দুই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট এলাকা মিলে পাকিস্তান ও মধ্যে থাকা জায়গা হবে হিন্দুস্থান। হিন্দুস্থান মানে হিন্দুদের জায়গা আর পাকিস্তান মানে পবিত্র জায়গা। আর এই ঘোষণা দেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।

কিন্তু আশ্চর্যজনক বিষয় হলো – এসব মুসলিম সংখ্যা গরিষ্ঠ জায়গা থেকে হিন্দুরা যে হারে হিন্দুস্তানে চলে আসে। সেই হারে হিন্দুস্তান থেকে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট এলাকায় মুসলমানেরা যায় না। কারণ মুসলমানদের জন্য হিন্দুস্তানেই বেশি সুরক্ষিত জায়গা মনে হয়েছে,পাকিস্তানের চেয়ে।
এমনটি তুলে ধরেছেন ভারতের মিডিয়া “আজতক”। তাদের মতে, মুসলমানদের জায়গা থেকে হিন্দুদের জায়গায় নাকি মুসলমানদের কাছে বেশি সুরক্ষিত মনে হয়েছে। তাই তৎকালীন হিন্দুস্থানের ৪ কোটি মুসলমানের মধ্যে ৩ কোটিই হিন্দুস্থানে অর্থাৎ ভারতে থেকে যায়।
গোদি মিডিয়া হলেও তাদের এ তথ্য সঠিক। যে হারে হিন্দুরা হিন্দুস্তানে ফিরে যায়। মুসলিমেরা সেই হারে ফিরে জায়না। এই পর্যন্ত তো ঠিক আছে কিন্তু তারপরে গোদি মিডিয়া তার আসল রুপ দেখাতে শুরু করে। তারা বলে – মুসলমানেরা সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। তারা হিন্দস্থ্নে থেকে গিয়ে।
আর সেই জন্যও ভারতে আজ মুসলমানেরা সুরক্ষিত ভাবে বসবাস করছে। আর যেসব কম সংখ্যক হিন্দুরা পাকিস্তানে থাকে তারা তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল করেছে। এজন্য আজ তারা পাকিস্তান ও বাংলাদেশে চরম নির্যাতিত হচ্ছে। এই বলে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার হবার একটি দৃশ্য দেখায়।

কিন্তু তারা যে দাবি করছে তা একদমই ভুল – কারণ আজ যে সব হিন্দুরা পাকিস্তান ও বাংলাদেশে আছে তারা অনেক সুরক্ষিত আছে। যেসব মুসলমানেরা হিন্দুদের জায়গায় থাকবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো তাদের তুলনায়।
বিশেষ করে এতদিন তো তাও কিছুটা সুরক্ষিত ছিলো। কিন্তু মোদি সরকারের আমলে এসে ভারতে মুসলমানদের ওপর চরম নির্যাতন নেমে এসেছে। শুধুমাত্র মোদির ব্যর্থতা ঢাকার জন্য ও দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার জন্য হিন্দু মুসলিম খেলা খেলছে মোদি।
বর্তমানে ভারতের বাঙালি মুসলমানদের ওপর চরম নির্যাতন করছে হিন্দুরা। ২০০১ সালে বাংলাদেশে “বিএনপি ও জামাত “একসাথে ক্ষমতায় এসে – যেমনভাবে হিন্দুদের জমিজায়গা কেড়ে নিয়ে, তাদের ভারতে পাঠিয়ে দিয়েছিলো। ঠিকসেই ভাবে বর্তমানে ভারতের হিন্দুরা মুসলমানদের জমিজায়গা কেড়ে নিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে।
মোদি সরকার হিন্দুদের স্বপ্ন দেখাচ্ছে হিন্দুস্থান শুধু হিন্দুদের জন্য। তাই ভারত কে একক হিন্দু রাষ্ট্র গড়ে তুলবে মোদি। এই আশা দিয়ে সাধারণ হিন্দুদের বোকা বানাচ্ছে মোদি সরকার। আর এভাবেই আজীবন ক্ষমতায় থাকবার স্বপ্ন দেখছে নরেন্দ্র মোদি।