
ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্কের আসল কারণ জানা গেলো!
মাই ফ্রেন্ড মিঃ ডোনাল্ড ট্রাম্প, ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলো। কিন্তু হঠাৎ এমন কি হলো যে,মি ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর ক্ষেপে গেলো? কেন একলাপে ৫০ শতাংশ শুল্ক বাড়ালো? যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনের প্রচারণায় অন্যদেশর প্রধানমন্ত্রী হয়ে পরোক্ষভাবে সমর্থন জানিয়েছেন মোদি।
মোদির হিন্দুরা, মি ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুজা পর্যন্ত করেছে। সেই ভগবান ডোনাল্ড ট্রাম্প কি জন্য রাতারাতি ভারতের বিপক্ষে চলে গেলে? এমনকি বাংলাদেশের স্বৈরাচার হাসিনা পালানোর পর আওয়ামী লীগের কর্মীরা বলছিলো, আমেরিকায় যদি মি ডোনাল্ড ট্রাম্প পাশ করে। তাহলে নাকি মোদির ক্ষমতা আরো বেড়ে যাবে। তখন ইউনুস কে সরিয়ে আবারও হাসিনাকে ক্ষমতায় আনবে ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এখন এমন কি হলো, যে মোদির ফ্রেন্ড মি ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করলো? চলুন আজকের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে এর পেছনের আসল কারণ জানবো?
ভারতে মসজিদ দখল করলো একটি সংগঠন!

কারণ হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন – রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধে হাজার হাজার নিরহ মানুষদের খুন করেছে রাশিয়া। আর ভারত রাশিয়া থেকে তেল কিনে, রাশিয়ার যুদ্ধ করতে সাহায্য করছে। এই কারণে ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে। কিন্তু যখন ভারত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ হবার পরেও কথা, না শোনে। তখন একেবারে ৫০ শতাংশ করে দেওয়া হয়।
আর যারা এই tariff বা শুল্ক সম্পর্কে জানে না? তাদের একটু সহজে বুঝিয়ে দিই। ধরেন ভারতের একটি কোম্পানি থেকে আমেরিকার একজন ব্যবসায়ি ১০০ টাকার পণ্য ক্রয় করলো। এখন এই পণ্য সে কত টাকায় বিক্রি করবে তার ওপর বাড়তি ৫০ টাকা আরো যোগ করে তারপর বিক্রি করতে হবে। আর এই বাড়তি টাকা সরাসরি আমেরিকার সরকারের কাছে জমা হবে।
এই বাড়তি শুল্কের কারণে ভারতের পণ্য আমেরিকাতে আর বেশি চাহিদা থাকবে না। যেহেতু দাম বেড়েছে। এজন্য ভারতের পণ্যের চাহিদা আর থাকবে না। আর যারফলে আমেরিকার ব্যবসায়িরা তা কিনবেও না। ফলে ভারতে যে কর্মসংস্থান হচ্ছিল ও ডলার ভারতে আসছিলো তা থেমে যাবে। এভাবে ভারতের অর্থনীতি ধীরে ধীরে শেষ হতে থাকবে?
আলেম সমাজ কি ভুল করছেন – ইলিয়াস হোসেইন?

কিন্তু এর পেছনে কারণ হিসেবে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধের কথা বললেও আসল কারণ অন্য। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকাকে নয় বরং নিজেকে গ্রেট বানাতে চাই। তিনি চান তাকে যেন শান্তিতে নোবেল পুরুষ্কার দেওয়া হয়। আর নোবেল পুরুষ্কার কেউ ইচ্ছে করলেই পায়না। অনেক দেশ ও সংস্থাকে কোনো একটি নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিতে হয়।
এভাবে অনেক ব্যক্তিকে যখন মনোনয়ন দেওয়া হয়। তখন নোবেল কমিটি সিদ্ধান্ত নেন। কাকে তারা নোবেল শান্তি পুরস্কার দিবে। চাইলেই তো আর পাওয়া যায় না, নোবেল শান্তি পুরস্কার। যেমনটা আমাদের ডঃ ইউনুস শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
তেমনটি ডোনাল্ড ট্রাম্পও পেতে চাই। আর সম্প্রতি যে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ হলো। সেই যুদ্ধ ডোনাল্ড ট্রাম্প থামাতে বলেন। আর তা থামিয়ে নিজেকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের দাবিদার বলেন। পাকিস্তান তো ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে একমত পোষণ করে। নোবেল শান্তি পুরস্কারের মনোনয়নে ডোনাল্ড ট্রাম্প কে মনোনয়ন দেয়।

কিন্তু ভারত তা দেয়নি। ভারত যুদ্ধ বিরতি চুক্তি সম্পুর্ণ নিজেদের বিজয় বলে চালিয়ে দেয়। আর এখানেই নাকি মোদির সাথে ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঝামেলা শুরু হয়। বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন ভাবে ভারত কে চাপ দিতে থাকে। ডোনাল্ড ট্রাম্প কে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ থামানোর কৃতিত্ব দেবার জন্য কিন্তু ভারত তা সম্পুর্ণ রুপে করে না। আসলে ট্রাম্প তো জানে না ভারত পাকিস্তানের সম্পর্ক কোন লেভেলের খারাপ।
এমনিতেই ডোনাল্ড ট্রাম্প পাগলাটে স্বভাবের মানুষ। তার মাথায় কখন কি চলে তা কেউ জানেনা। আমেরিকা থেকে শুরু করে ভারতের বিশেষজ্ঞ সহ ইউটিউবাররা পর্যন্ত বলছেন, এটিই মুল কারণ।